প্রতিবেদন বিভিন্ন রকমের হতে পারে । তাই বলতে পারেন  প্রতিবেদনের নির্দিষ্ট  কোন শ্রেণিবিভাগ নেই। বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে প্রতিবেদন নানা রকম হতে পারে। এস, এস, সি বা স্কুল পর্যায়ে যেসব  প্রতিবেদন পাওয়া যায় সেগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।
যথা : 1.সংবাদ প্রতিবেদন,
         2.সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন ও
3.তদন্ত প্রতিবেদন
সংবাদ প্রতিবেদন লেখার কৌশল
শিরোনাম ছাড়া সংবাদ প্রতিবেদন হয় না। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। খবরের একটি সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু
শিরোনামে প্রকাশ পায়। শিরোনাম দেখেই পাঠক সিদ্ধান্ত নেন, খবরটি তিনি পড়বেন কি-না। প্রতিবেদকের নাম বা পদবী, প্রতিবেদন তৈরির স্থান ঘটনার একটা সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু নিয়ে শুরু হয়- সংবাদ প্রতিবেদন। এটা দুতিন লাইনের মধ্যে শেষ হয়ে থাকে। এরপরের অংশে বিস্তারিত বর্ণনা লিখতে হয়।  প্রশ্নে সংবাদপত্র বা প্রতিবেদকের নাম থাকলে সেটা অনুসরণ করতে হবে। আর তা না থাকলে কাল্পনিক নাম ব্যবহার করা যেতে পারে।
যেমন ঃ


বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে পত্রিকায় প্রকাশের নিমিত্ত প্রতিবেদন লেখো
অথবা, তোমার এলাকায় স্থানীয় বাজারের দ্রব্যমূল্য পরিস্থিতি বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশের জন্য একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করো।
অথবা, বর্তমানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন রচনা করো।

নমুনা উত্তর :

বরাবর
সম্পাদক
দৈনিক ............
বিষয় : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিবিষয়ক প্রতিবেদন প্রসঙ্গে।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে, 'দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে দুর্ভোগ' নিয়ে একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছি। আশা করছি, প্রতিবেদনটি বিবেচ্য হলে আপনার বহুল প্রচারিত পত্রিকায় প্রকাশ করবেন।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে দুর্ভোগ
অতি সম্প্রতি সাধারণের ব্যবহার্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ। বলাবাহুল্য, বর্তমানে বেশির ভাগ দ্রব্যের মূল্য ক্রেতাসাধারণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। আকস্মিক অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির বহু কারণ রয়েছে। 
যেমন :
১। দেশে প্রায়ই দেখা যায়, মুনাফালোভী মজুদদাররা অধিক মুনাফা লাভের আশায় দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে দেয়।
২। সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি অন্যতম কারণ। দেশের একটি ক্ষুদ্রতম অংশ ভাতা পেলেও এর ফলে ক্ষতির শিকার হয় সমাজের বৃহত্তম অংশ।
৩। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুষ্ঠু নীতিমালার অভাবেও বাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি পরিলক্ষিত হয়।
৪। ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট তৈরি করে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি করে।
অপ্রত্যাশিত এমন মূল্য বৃদ্ধি দেশে নতুন নয়। প্রতিদিন সকালে বাজারে ঢুকেই দেশের মানুষ জানতে পারে মূল্য বৃদ্ধির খবর।
অনেক সময় দাম বাড়ার যৌক্তিক কোনো কারণ থাকে না। অথচ বিশ্বের যেকোনো দেশের ক্ষেত্রে জনগণকে জানিয়ে এমনটি ঘটলে জনগণ তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। ফলে জনসাধারণের কাছে সরকারকে জবাবদিহি করতে হয়।  তারা কখনো কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করছে, কখনো বা চোরাকারবারের মাধ্যমে সেই কৃত্রিম সংকটের শূন্যতা পূর্ণ করছে। এভাবেই দেশি মুদ্রা পণ্য- দুটি পথেই মার খাচ্ছে। পাশাপাশি জনসাধারণের ক্রয়ক্ষমতাও হ্রাস পাচ্ছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। কেননা, গড়পড়তা আয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য একটি বাজারব্যবস্থা যেকোনো দেশের সরকারের কাছে তার জনগণের প্রাণের দাবি।
দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি থেকে পরিত্রাণের জন্য সরকারি বেসরকারি অভিজ্ঞমহলের সুদৃষ্টি অবশ্যই থাকা উচিত।

প্রতিবেদকের নাম  ঠিকানা : জনিলালমনিরহাট 
প্রতিবেদনের স্থান : লালমনিরহাট জেলা
তারিখ :  জানুয়ারি ২০১৭
প্রতিবেদন তৈরির সময় : বিকেল ৫টা
           


 * এখানে খাম আঁকতে হবে 
            
 প্রতিবেদনের শিরোনাম : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি জনজীবনে দুর্ভোগ      
প্রতিবেদকের নাম ঠিকানা : জনি, লালমনিরহাট 
প্রতিবেদনের স্থান : লালমনিরহাট জেলা
তারিখ : জানুয়ারি ২০১৭
প্রতিবেদন তৈরির সময় : বিকেল ৫টা

ডানদিকে পত্রিকার ঠিকানা



2.সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন লেখার কৌশল

প্রতিষ্ঠান বা দপ্তরের প্রয়োজনে সাধারণ আঙ্গিকে যে প্রতিবেদন লেখা হয়, তা- সাধারণ প্রতিবেদন। যেমন, যে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান তাঁর প্রতিষ্ঠানে জাতীয় দিবস পালন বা স্কুলের কোন সমস্যার বিবরণ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করে থাকেন। এজন্য তিনি কাউকে প্রতিবেদন লেখার দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। যেমন :
 
মনে কর, ……… উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। তোমার বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের ওপর একটি প্রতিবেদন রচনা কর।

 বরাবর প্রধান শিক্ষক দিয়ে জাতীয় প্রতিবেদন শুরু করতে হয়। শিক্ষার্থী এখানে প্রধান শিক্ষকের পত্রাদেশের একটা সূত্র উল্লেখ করবে। এরপর প্রাসঙ্গিক শিরোনাম লিখে প্রশ্নের চাহিদা মোতাবেক বিষয়বস্তু ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে। পত্র শেষে প্রধান শিক্ষক বরাবর একটা খাম দেওয়া যেতে পারে। না দিলেও সমস্যা হবে না।


তোমার বিদ্যালয়ে উদ্যাপিতআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসঅনুষ্ঠানের ওপর একটি প্রতিবেদন তৈরি কর

নমুনাঃ 

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০১৬
প্রধান শিক্ষক,
……  হাই স্কুল, লালমনিরহাট 

বিষয় : বিদ্যালয়ে আয়োজিত আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবসএর অনুষ্ঠানমালা সম্পর্কে প্রতিবেদন।
সূত্র :শা ..বি.২০১৫/২৭()
মহোদয়,
সম্প্রতি সমাপ্ত ,……  হাইস্কুলেরআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসএর অনুষ্ঠানমালা সম্পর্কে প্রতিবেদন পেশে আদিষ্ট হয়ে নিম্নলিখিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করছি
………  হাই  স্কুলেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসউদ্যাপিত
.‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসউদ্যাপন উপলক্ষে ………  স্কুলে ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন হয়েছিল। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন স্কুলের বাংলা বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক জনাবক’
.দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সূচনা হয় সকাল ৭টায় প্রভাতফেরির মাধ্যমে। খুব ভোর থেকেই স্কুলের আশেপাশের ছাত্র-ছাত্রীরা খালি পায়ে প্রশাসনিক ভবনের সামনে সমবেত হয়। তাদের সঙ্গে যোগদান করেন শিক্ষকবৃন্দ। স্কুল মাঠের দক্ষিন প্রান্তে  শহিদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ প্রদানের সিদ্ধান্ত করা হয়েছিল। প্রধান শিক্ষকের নেতৃত্বে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের খালিপায়ে শোভাযাত্রা শুরু হলে সবার কণ্ঠে অনুরণিত হয় একুশে ফেব্রুয়ারির অমর গান: ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।ধীর পদক্ষেপে অগ্রসরমান শোভাযাত্রা এক ভাবগম্ভীর পরিবেশ সৃষ্টি করে। শহিদ মিনারের পাদদেশে মিছিল উপনীত হলে প্রধান শিক্ষক প্রথম পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে অমর শহিদদের উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ ফুলের তোড়া শহিদ মিনারে অর্পণ করে।
.আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের পরবর্তী কর্মসূচি ছিল আবৃত্তি সংগীতানুষ্ঠান। প্রথমে বাংলা সাহিত্যের প্রখ্যাত কবিগণের কবিতা থেকে নির্বাচিত কবিতাবলি আবৃত্তি করে স্কুলের শিক্ষার্থীরা। পরে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শোনাােনা হয়। শিক্ষার্থীরাই ছিল পর্যায়ে কবিতা রচয়িতা আবৃত্তিকার। আবৃত্তি শেষে শুরু হয় সংগীতানুষ্ঠান। দেশাত্মবোধক গানই ছিল এপর্যায়ের কর্মসূচি। স্কুলের শিল্পীরা এতে অংশগ্রহণ করে
.বিকেলবেলায় আয়োজন করা হয়েছিল আলোচনা সভার। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কবিক’।  স্কুলের দুজন শিক্ষকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ওপর আলোচনা করে। দিবসের গুরুত্ব তাৎপর্য তুলে ধরার পাশাপাশি বিশ্বদরবারে আরো উল্লেখযোগ্যভাবে দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরার আহ্বান রাখা হয়। পর্যায়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে
প্রতিবেদকের নাম ঠিকানা :’ হ’ দশম শ্রেণি,বিজ্ঞান বিভাগ,রোল: ০৩
……  হাই স্কুল, লালমনিরহাট ।
প্রতিবেদনের শিরোনাম : ……  স্কুলেআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসউদ্যাপিত।
প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬
প্রতিবেদন তৈরির সময় : সকাল টা

আরও পড়তেঃ
উপমান কর্মধারয় ও উপমিত কর্মধারয়

অব্যয়ীভাব সমাস সহজে চেনার নিয়ম 


ব্যঞ্জনসন্ধির শর্টকাট নিয়ম


 

3.তদন্ত প্রতিবেদন লেখার কৌশল

সাধারণ প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিবেদন লেখার নিয়মের সাথে তদন্ত প্রতিবেদন লেখার আঙ্গিক মিল রয়েছে। তবে সংবাদ প্রতিবেদনের সাথে এটা মিলবে না। এতে লেখকের ব্যক্তিগত মতামতের গুরুত্ব রয়েছে। দায়িত্ব প্রদানকারী কর্র্র্র্র্তৃপক্ষের সমীপে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে হয়। প্রতিবেদনের সূচনায় ঘটনা ঘটনার কার্যকারণ ব্যাখ্যা করার পর ঘটনার পুুনরাবৃত্তি নিরসনকল্পে করণীয় সম্পর্কে প্রতিবেদককে সুপারিশ করতে হয়।

 মনে কর, মহাসড়কের কোন একটি স্থানে বার বার সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে থাকে। কারণ উদঘাটনের জন্য একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রস্তুত কর

অথবাঃ তোমার এলাকায় লোডশেডিং বিদ্যুৎ বিভ্রাট সম্পর্কে একটি সংবাদ প্রতিবেদন রচনা কর

নমুনাঃ

তারিখ : আগস্ট ০১, ২০১৫
 যথাযথ কর্তপক্ষ
লালমনিরহাট ।
বিদ্যুৎ বিভ্রাট : প্রয়োজন আশু প্রতিকার
নিজস্ব প্রতিবেদক, লালমনিরহাট  : লোডশেডিং লালমনিরহাট  শহরের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু বর্তমানে গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং এর তীব্রতা। লালমনিরহাট শহরে বিদ্যুৎ এই আসে,এই যায়। বিশেষ করে লালমনিরহাটের  কিছু স্থানের চিত্র ভয়াবহ। পুরো দিনে এইসব এলাকায় দশ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে কিনা বলা দুষ্কর
লালমনিরহাট  শহরে বিদ্যুৎ সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় একটি জিনিস। দিনে বা রাতে যে কোন সময়েই হোক, বিদ্যুতের অনুপস্থিতি আধুনিক জীবনে হাজার সংকট সমস্যার সৃষ্টি করে। রাষ্ট্রীয়, সাংস্কৃতিক,অর্থনৈতিক, সামাজিক সকল ক্ষেত্রে প্রতিটি মুহূর্তে বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। বিদ্যুৎ ছাড়া কলকারখানা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত অচল। দেশের চাহিদামাফিক বিদ্যুৎ এখনো উৎপাদন করা সম্ভব হয় নি। যার কারণে বিদ্যুৎ সমস্যা জনজীবনে তৈরি করেছে নানা দুর্ভোগ। ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখার নিরন্তর ব্যাঘাত ঘটছে। বিদ্যুৎ না থাকলে সুষ্ঠু পানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক সময় লো-ভোল্টেজের কারণে ফ্রিজ, ফ্যান, এসি ইত্যাদি অচল হয়ে যাচ্ছে। কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, হাসপাতালের চিকিৎসার ব্যাঘাত ঘটছে। বিজিএমইএ সাম্প্রতিক এক বিবরণে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শুধু তৈরি পোশাক খাতেই বাংলাদেশ প্রতিদিন প্রায় ১৫ লাখ ডলার আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছে। হিসেবে বছরে দেশের মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ সমস্যা এর কারণে সৃষ্ট আর্থিক ক্ষতি নিয়ে লেখালেখি কম হয় নি। কিন্তু পরিস্থিতির তেমন কোন উন্নতি হয় নি। সংকটের পেছনে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট সংস্থাটির এক শ্রেণির কর্মকর্তাদের চরম দুর্নীতির ব্যাপারও কম দায়ী নয়। দৈনিক জনকণ্ঠে কিছুদিন আগে ব্যাপারে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডেসা এক শ্রেণির কর্মীদের সহায়তায় চলছে বিদ্যুৎ চুরির মহোৎসব। দুর্নীতিবাজ কর্মী গ্রাহকের যোগসাজশে মাসে অন্তত কোটি ইউনিট বা গড়পড়তায় ১৫ কোটি টাকার বিদ্যুৎ চুরি হচ্ছে। বিদ্যুতের অভাবে যেখানে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, সেখানে ধরনের চুরিকে প্রশ্রয় দেওয়া কোনভাবে মেনে নেওয়া যায় না। ব্যাপারে সরকারের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের সময় এসে গেছে
অনতিবিলম্বে ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ সমস্যা থেকে দেশবাসীকে বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সচেতনমহল

প্রতিবেদকের নাম ঠিকানা :  হ’ মিশনমোড়, লালমনিরহাট ।
প্রতিবেদনের শিরোনাম : বিদ্যুৎ বিভ্রাট : প্রয়োজন আশু প্রতিকার
প্রতিবেদন তৈরির সময় : সন্ধ্যা টা
প্রতিবেদন তৈরির তারিখ : জানুয়ারি ০১৪, ২০১৬ ।